Friday, 1 December 2023

যখন পৃথিবীকে প্রবলবেগে ঝাঁকুনি দেয়া হবে।

 সুরা: আয-যিলযাল

আয়াত নং :-1

টিকা নং:1, 


اِذَا زُلْزِلَتِ الْاَرْضُ زِلْزَالَهَاۙ


যখন পৃথিবীকে প্রবলবেগে ঝাঁকুনি দেয়া হবে





তাফসীর : 

তাফহীমুল কুরআন:


টিকা:১) মূল শব্দগুলো হচ্ছে, زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ زِلْزَالَهَا   ‘যালযালাহু’ মানে হচ্ছে, একাদিক্রমে পরপর জোরে জোরে ঝাড়া দেয়া। কাজেই زُلْزِلَتِ الْأَرْضُ   বলতে ধাক্কার পর ধাক্কা দিয়ে এবং ভূমিকম্পের পর ভূমিকম্পের মাধ্যমে পৃথিবীকে ভীষণভাবে কাঁপিয়ে দেয়া হবে। আর যেহেতু পৃথিবীকে নাড়া দেবার কথা বলা হয়েছে তাই এ থেকে আপনা-আপনিই এই অর্থ বের হয়ে আসে যে, পৃথিবীর কোন একটি অংশ কোন একটি স্থান বা অঞ্চল নয় বরং সমগ্র পৃথিবীকে কম্পিত করে দেয়া হবে। তারপর এই নাড়া দেবার এই ভূকম্পনের ভয়াবহতা আরো বেশী করে প্রকাশ করার জন্য তার সাথে বাড়তি زِلْزَالَهَا  শব্দটিও বসিয়ে দেয়া হয়েছে। এ শব্দটির শাব্দিক মানে হচ্ছে, “কম্পিত হওয়া।” অর্থাৎ তার মতো বিশাল ভুগোলককে যে ভাবে ঝাঁকানি দিলে কাঁপে অথবা যেভাবে ঝাঁকানি দিলে তা চূড়ান্ত পর্যায়ে ভীষণভাবে কাঁপে ঠিক সেভাবে তাকে ঝাঁকানি দেয়া হবে। কোন কোন মুফাসসির এই কম্পনকে প্রথম কম্পন ধরে নিয়েছেন। তাদের মতে কিয়ামতের প্রথম পর্বের সূচনা হবে যে কম্পন থেকে এটি হচ্ছে সেই কম্পন। অর্থাৎ যে কম্পনের পর দুনিয়ার সব সৃষ্টি ধ্বংস হয়ে যাবে এবং তার সমগ্র ব্যবস্থাপনা ওলট-পালট হয়ে যাবে। কিন্তু মুফাসসিরগণের একটি বড় দলের মতে যে কম্পনের মাধ্যমে কিয়ামতের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে অর্থাৎ যখন আগের পিছের সমস্ত মানুষ পুনর্বার জীবিত হয়ে উঠবে, এটি সেই কম্পন। এই দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটি বেশী নির্ভুল। কারণ পরবর্তী সমস্ত আলোচনায় এই বিষয়টির প্রকাশ ঘটেছে।


ফী জিলালিল কুরআন:


০১-০৮ নং আয়াতের ব্যাখ্যা ০৮ নং আয়াতে পড়ুন।



Tuesday, 28 September 2021

দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন বদলে যাবে।

 👉জীবনের সুন্দর একটি হিসাব দেখুন, বুঝুন এবং চিন্তা করুন।


যদি A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L, M, N, O, P, Q, R, S, T, U, V, W, X, Y, Z = 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22, 23, 24, 25, 26


অর্থাৎ A to Z এর মান যদি এমনভাবে ধরি যেখানে : A=1, B=2, C=3, D=4, E=5, F=6, G=7, H=8, I=9, J=10, K=11, L=12, M=13, N=14, O=15, P=16, Q=17, R=18, S=19, T=20, U=21, V=22, W=23, X=24, Y=25, Z=26


তাহলে,,,


Hard Work:

H+A+R+D+W+O+R+K= 8+1+18+4+23+15+18+11=98%

তুমি যতই পরিশ্রমী হও না কেনো, তোমার পরিশ্রম তোমাকে ভালো একটা জায়গায় নিয়ে যাবে, কিন্তু শতভাগ না।


Knowledge:

K+N+O+W+L+E+D+G+E=

11+14+15+23+12+5+4+7+5=96%

তুমি যতই বিজ্ঞ হও না কেনো, কখনো  কখনো তা কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে কম সফলতা আনতে পারে।


Good Luck:

G+O+O+D+L+U+C+K=

7+15+15+4+12+21+3+11=88%

আর তুমি যদি ভাগ্যের ভরসায় বসে থাকো, 

তা কোনো কূলেই তোমায় লক্ষ্যে ভেরাবে না।


অর্থাৎ এদের কোনোটাই 100%  করতে পারে না, তাহলে সেটা কী যা 100% করতে পারে???


Money?? না, এটা 72%

Leadership?? না, এটা 97%

তাহলে??



সব সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব, যদি আমাদের থাকে একটা সঠিক Attitude বা দৃষ্টিভঙ্গি হ্যা, একমাত্র Attitude ই আমাদের জীবনকে করতে পারে 100% সফল......


Attitude:

A+T+T+I+T+U+D+E=

1+20+20+9+20+21+4+5=100%

সুতরাং দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন বদলে যাবে!!

Tuesday, 27 July 2021

করোনা আক্রান্ত হলে কি করবেন আপনি...?

  করোনা আক্রান্ত হলে কি করবেন আপনি...?


করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে এখন কারো জ্বর এবং সাথে শুকনো কাশি অথবা শরীর ব্যথার মত দুয়েকটি উপসর্গ ও লক্ষণ দেখা দিলেই স্বাভাবিকভাবেই মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। 


আর হাসপাতালগুলোতে রোগীর উপচে পড়া ভিড়, সেজন্য অনেকেই চিকিৎসকের কাছে যেতে ভয় পাচ্ছেন। 

কিন্তু আপনি যদি বুঝতে পারেন যে, আপনার মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের একাধিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তাহলে কী করবেন???? কি করা উচিত!!!


★★★প্রথমত আইসোলেশন(আলাদা হয়ে যান) 


করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রথম লক্ষণ হলো জ্বর এবং শুকনো কাশি। এছাড়া থাকতে পারে শরীরের পেশীতে ব্যথা, গলা ব্যথা, স্বাদ ও গন্ধের অনুভূতি না থাকা, শ্বাসকষ্ট, কখনো পেট খারাপ ও বমি বা বমি বমি ভাব।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কেউ যদি নিজের মধ্যে এ রকম একাধিক লক্ষণ দেখতে পান, তাহলে শুরুতেই 'সেলফ-আইসোলেশনে' চলে যান, অর্থাৎ নিজেকে পরিবারের বাকি সদস্যদের কাছ থেকে পুরোপুরি আলাদা করে ফেলুন।এতে পরিবার, কর্মস্থল, এবং আশপাশের মানুষের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকানো যাবে।

সম্ভব হলে আলাদা একটি ঘরে থাকুন, যেখানে প্রাতঃকর্ম এবং অন্যান্য কাজের জন্য বাইরে বের হতে না হয়। খাবার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও ওষুধ ঘরের দরজার বাইরে রেখে যাবেন পরিবারের সদস্যরা।

এই ব্যবস্থা করা সম্ভব না হলে অন্যদের থেকে অন্তত ছয়ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন এবং মাস্ক পড়ুন। 


★★★নমুনা পরীক্ষা(RT PCR,Rapid Antigen,Xene Expert) করাতে হবে


এখন সাধারণভাবে জ্বরের সঙ্গে আরো এক বা একাধিক উপসর্গ দেখা গেলে কোভিড-১৯ ধরে নিয়েই ব্যবস্থা নিতে হবে অর্থাৎ নমুনা পরীক্ষা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।

সরকারি এবং বেসরকারি উভয় খাতে নমুনা পরীক্ষা করানো যায়। বাংলাদেশে এই মুহূর্তে ৬২ টি সরকারি পরীক্ষাগারে করোনাভাইরাস নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। তার মধ্যে ৩২টি ঢাকায়। 


সেক্ষেত্রে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া হটলাইন নম্বরে ফোন দিয়ে, অথবা স্থানীয় সিভিল সার্জন কিংবা সিটি কর্পোরেশনে যোগাযোগ করতে পারেন। 


সরকারি পরীক্ষাগারে বিনামূল্যে নমুনা পরীক্ষা করানো যাবে।(১লা জুলাই হতে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী) 

বেসরকারিভাবে নমুনা পরীক্ষা করাতে হাসপাতালে গিয়ে নমুনা পরীক্ষা করালে ৩,৫০০ টাকা এবং বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করলে ৪,৫০০ টাকা পর্যন্ত খরচ লাগবে। 


★★★গরম পানির গার্গল ও ভাপ 


গরম পানির গার্গল অন্তত চার থেকে ছয়বার দিনে করতে হবে।

এছাড়াও দিনে কয়েকবার গরম পানির ভাপ নিন। 


★★★পুষ্টিকর খাবার খান 


ইম্যুনিটি অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এমন খাবার খান।

এজন্য প্রোটিন জাতীয় খাবার বেশি করে খাবার খান। স্যুপ খেতে পারেন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খান। 


★★★চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

এ সময় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 

যদি সরাসরি না পারেন, তবে টেলিফোনে কিংবা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, নিজের উপসর্গ ও লক্ষণ অনুযায়ী ওষুধ খাবেন। 


তবে ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি,জিংক জাতীয় ওষুধের তেমন কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই, তাই সেটি প্রেসক্রিপশন ছাড়াও খেতে পারেন। 


★★★শরীরে অক্সিজেনের(SPO2) মাত্রা খেয়াল রাখুন 


এসময় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রার ওঠানামা খেয়াল রাখতে হবে। পালস অক্সিমিটার নামে ছোট একটি মেডিকেল যন্ত্র এক্ষেত্রে হাতের কাছে রাখতে পারেন।

আঙুলের মাথায় লাগিয়ে হৃৎস্পন্দন ও শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা মাপা যায়।

সাধারণত পালস অক্সিমিটারে ৯৫ থেকে ১০০ শতাংশ অক্সিজেন মাত্রাকে স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়।

অর্থাৎ অক্সিজেনের মাত্রা ৯৫ শতাংশের কম হলে শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়, যার ফলে শ্বাসকষ্ট, মাথাব্যথা, বুক-ব্যথা, কিংবা হৃৎস্পন্দন 

সমস্যা হলে, তখন অক্সিজেন দিতে হবে। 

তখন অবশ্যই রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, অথবা বাড়িতেই অক্সিজেন দেবার ব্যবস্থা করতে হবে। 


তবে, শ্বাসকষ্ট না হলে হাসপাতালে যাবার প্রয়োজন নেই। 


★★★মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে 


ভালো ভালো কথা মনে করতে হবে।নামাজ পড়তে হবে,কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করবেন, মেডিটেশন করবে।

পারলে হালকা ব্যায়াম ও করবেন। 


★★★ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের বিশেষ সতর্কতা 


কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তদের মধ্যে যাদের ডায়াবেটিস, হৃদরোগ বা অ্যাজমার মতো স্বাস্থ্য সমস্যা আছে, কিংবা যাদের বয়স বেশি তাদের ঝুঁকি অন্য রোগীদের বেশি।

সেজন্য আপনাকে বাড়তি কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, নিয়মিত চিকিৎসক এর সাথে আলাপচারিতা বজায় রাখবেন।

জনস্বার্থে পোস্টি শেযার করুন,এবং টাইমলানে রেখেদিন।




Wednesday, 13 May 2020

করোনা আপডেট।


১৩-০৫-২০২০ ইং

দেশে নতুন করোনা ভাইরাস শনাক্ত ১১৬২ জন।
মোট আক্রান্ত : ১৭৮২২ জন।‌
নতুন মৃত্যু : ১৯ জন।
মোট মৃত্যু : ২৬৯ জন।
নতুন সুস্থ্য : ২১৪ জন।
মোট সুস্থ্য : ৩৩৬১ জন।
নমুনা পরিক্ষা  : ৭৯০০জনের।

 ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৭,৮২২
সুস্থ
৩,৩৬১
মৃত্যু
২৬৯

বিশ্বে

আক্রান্ত
৪,৩৫৭,৩৫৭
সুস্থ
১,৬১১,০৩১
মৃত্যু
২৯৩,১৩৪

Tuesday, 12 May 2020

করোনা_আপডেট



১২-০৫-২০২০ ইং

দেশে নতুন করোনা ভাইরাস শনাক্ত ৯৬৯ জন।
মোট আক্রান্ত : ১৬৬৬০ জন।‌
নতুন মৃত্যু : ১১ জন।
মোট মৃত্যু : ২৫০ জন।
নতুন সুস্থ্য : ২৪৫ জন।
মোট সুস্থ্য : ৩১৪৭ জন।
নমুনা পরিক্ষা  : ৬৭৭৩ জনের।

 ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)


বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৬,৬৬০
সুস্থ
৩,১৪৭
মৃত্যু
২৫০

বিশ্বে

আক্রান্ত
৪,২৭২,৭২৯
সুস্থ
১,৫৩৬,১৯৬
মৃত্যু
২৮৭,৬১৫

Monday, 11 May 2020

"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’

‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ’

 আচ্ছা, এখন যদি অমুসলিম কেউ এই পোষ্টে লেখা কালেমাটি পড়ে ফেলেন তাহলে কি তিনি মুসলিম হয়ে যাবেন?

 এর জবাবে নিশ্চিতভাবে আপনারা বলবেন, আরে নারে ভাই। এভাবে শুধু মুখে মুখে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়লেই মুসলিম হওয়া যায় না। কালেমার এই ঘোষণার সাথে অত্যাবশ্যকীয় শর্তটি হচ্ছে, অন্তরে পরিপূর্ণ বিশ্বাসের সাথে এই কালেমার স্বাক্ষ্য দিয়েই  ঈমান আনতে হবে।

 আচ্ছা! এটা শুধুমাত্র পড়লেই যদি কেউ মুসলিম না হয়, তাহলে আমি বা কি করে এটা শুধুমাত্র মুখে মুখে পড়েই মুসলিম হয়ে গেলাম?

 জবাবে নিশ্চয়ই আপনারা বলবেন, একথা শুধু মুখে বললেই হবেনা। মৌখিক ঘোষনার সাথে সাথে অন্তরে দৃঢ়ভাবে এটা বিশ্বাস করতে হবে যে-— ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নাই’। এখানে ‘ইলাহ’ মানে হচ্ছে- উপাস্য, হুকুমকর্তা, ত্রাণকর্তা, মুক্তিদাতা। অর্থ্যাৎ সমস্ত কিছুর কার্যনির্বাহক, আইন ও বিধানদাতা এবং সমগ্র জাহানের স্রষ্টা, পরিচালক ও প্রতিপালক হচ্ছেন এক আল্লাহ। আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। সমস্ত ক্ষমতার উৎস ও মালিক আল্লাহ। তিনি সকলের উপর ক্ষমতাধর। তিনিই ক্ষমতা দেন এবং ক্ষমতা কেড়ে নেন। তাঁর ক্ষমতায় কারো কোনো অংশ নেই।

 .... এখন বুঝেছেন।এগুলো শুধু মুখে মুখে বললেই হবে না। এগুলোকে অন্তরে বিনাযুক্তিতে পরিপূর্ণভাবে বিশ্বাস করতে হবে। এবং আরো বেশী গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এভাবে আল্লাহর হুকুম ও  রাসুল (সাঃ) এর প্রদর্শিত জীবনব্যাবস্থাকে বিনা বাক্যব্যয়ে মেনে নিয়ে সেমতাবস্থায় জীবন পরিচালিত করার নামই হচ্ছে ঈমান।

 জ্বী, একদম সঠিকভাবে বলেছেন। সবই তো বুঝলাম। কিন্তু....

 আমিতো আমার অফিসের বস, দলের নেতা, পীর-ফকির, ধনবান-বিত্তশালী, ক্ষমতাবানদের গুণকীর্তন করে তাদের কাছ থেকে অনেক বেশী কিছু প্রাপ্তির প্রত্যাশা রাখি।

 আমিতো নামাজসহ আল্লাহর ফরজ হুকুমগুলোর চেয়ে দুনিয়ার কাজকর্মকেই বেশী গুরুত্ব দেই।

 আমিতো বিশ্বের তাবৎ বিখ্যাত বই-পুস্তক পড়ে শেষ করলেও একটিবারের জন্যেও আল্লাহর কিতাবটিকে ছুঁয়ে দেখিনি। একবারের জন্যও জানতে চাইনি, আল্লাহর এই কিতাবটির মধ্যে আমার সৃষ্টিকর্তা আমার জন্য কি নির্দেশনা দিয়েছেন।

 আমিতো জিহাদ ও পর্দার মত কোরআনের সুস্পষ্ট বিধানকে যতটুকু পারি মুখবন্ধ করে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করি। যাতে আমি উগ্রবাদীর তকমা না পেয়ে যাই।

 আমিতো রাসুল (সাঃ) এর জীবনাদর্শকে আমার জীবনে ছিটেফোঁটাও স্থান দেয়নি।

 আমিতো মুখে আল্লাহর ভয়ের কথা বললেও দুনিয়ার ক্ষমতাবানদেরই বড্ড ভয় করি। আল্লাহর সৃষ্টিকেই বরং ক্ষমতার উৎস ও মালিক বলে স্বীকার করি। ‘আল্লাহই ক্ষমতা দেন এবং ক্ষমতা কেড়ে নেন’- একথা জানার পরও আমেরিকা, চীন, ভারত কিংবা অন্য কোন শক্তিকে ক্ষমতাদানকারী বলে বিশ্বাস করি।

 আল্লাহর দেয়া আইন ও বিধানকে পাস কাটিয়ে নিজেদের দেয়া বিধান ও আইন মোতাবেক চলি। এই পয়েন্টে কথা বলার পর নিজেকে উগ্র ধর্মান্ধ বা জঙ্গি ট্যাগ খাওয়ার ভয়ও করি। আতংকিত থাকি, এ ধরনের পোষ্ট লাইক-শেয়ার করে আবার না কোন বিপদের মধ্যেই পড়ি.....

 এখন আপনারাই বলুন, এভাবে আমি শুধুমাত্র মুখে মুখে কালেমা পড়ে কতটুকু প্রকৃত মুসলিম হতে পেরেছি? আর কতটুকুই বা কালেমায় প্রকৃত বিশ্বাসী হতে পেরেছি?

১১-৫-২০২০ইং সর্বশেষ করোনা আপডেট।

সর্বশেষ (গত ২৪ ঘন্টার রিপোর্ট)
আক্রান্ত
মৃত্যু
সুস্থ
পরীক্ষা
১,০৩৪
১১
২৫২
৭,২০৮
সর্বমোট
১৫,৬৯১
২৩৯
২,৯০২
১২৯,৮৬৫

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস আপডেট

বাংলাদেশে

আক্রান্ত
১৫,৬৯১
সুস্থ
২,৯০২
মৃত্যু
২৩৯

বিশ্বে

আক্রান্ত
৪,১৯৮,৪১৮
সুস্থ
১,৫০০,৬৮৫
মৃত্যু
২৮৪,১০২

Sunday, 10 May 2020

আর আল্লাহর রহমত ও সাহায্য তখনই আসবে যখন মানুষের মধ্যে চারটি গুণ থাকবে।

বাদশা হারুন অর রশীদের বাবা ছিলেন বাদশা মাহদী বিন জাফর আবু জাফর মনসুর। একবার তাঁর শাসন আমলে প্রচন্ড দুর্ভিক্ষ দেখা দিলো। মানুষ জীবন ধারণ করার জন্য কুকুর বিড়াল পর্যন্ত খেতে লাগলো। আর এবিষয়টি বাদশা মাহদী কে খুব ব্যথিত ও বেচাইন করে তুললো।

  একরাতে বাদশা মাহদী শুয়ে ছিলেন আর তাঁর গোলাম শুশ্রুষা করছিলো তখন তিনি গোলাম কে বললেন জানিস তো দুর্ভিক্ষের জন্য মনটা ভীষণ খারাপ! তো তুই এমন কোন একটা গল্প শোনা আমাকে যা এঅবস্থায় আমার মনকে কিছুটা হলেও সান্ত্বনা দিবে।

  গোলাম বলতে লাগলো একবার এক চতুর প্রাণী সফরে যাবে তখন সে তার বাচ্চাকে বাঘের কাছে নিয়ে গেল আর বললো ভাই তোমার কাছেই আমার বাচ্চাটাকে রাখো। নিশ্চয়ই তুমিই তো জঙ্গলের রাজা। তারপর সে প্রাণীটি চলে গেল আর বাঘও বাচ্চাটাকে পীঠে নিয়ে জঙ্গলে ঘুরতে লাগলো। একবার এক দুর্ধর্ষ ঈগল বাচ্চাটিকে দেখতে পেল আর ছো মেরে নিয়ে গেল। বাঘ বেচারা অসহায়ের মতো চেয়ে দেখলো.. তাছাড়া যে তার আর কিছুই করার ছিল না!

  কিছুদিন পর চতুর প্রাণীটি এসে বাঘকে জিজ্ঞেস করল তার বাচ্চা কোথায়? বাঘ কিছু সময় নিরব থেকে বললো, সে আর নেই! চতুর প্রাণীটি বললো মানে কি!! কয় তোমার তো কিছু হয়নি? তুমি তো অক্ষতই আছো! বাঘ বললো বোন, দেখো যদি কোন জংলি প্রাণী নিতো তবে অবশ্যই আমি তার সাথে লড়াই করতাম কিন্তু আসমানী শিকারীর সাথে কী করে লড়াই করবো! তার সাথে লড়াই করার মতো কোনো যোগ্যতাই যে আমার নাই।

  এগল্প শোন মাত্রই বাদশা মাহদী জায়নামাজ বিছিয়ে নামাজে দাঁড়িয়ে গেলেন আর সিজদায় লুটিয়ে পড়ে এতো কান্না করতে লাগলেন যে পুরো জায়নামাজ তাঁর চোখের পানি দিয়ে ভিজে গেল আর ওইদিকে বাদশার দোয়া শেষ হওয়ার আগেই মূষলধারায় বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল। আর দুর্ভিক্ষ বিদায় হলো। সুবহানাল্লাহ!

  বর্তমানে আমরা করোনা ভাইরাসের সাথে লড়াই করার কথা বলছি!!! অথচ লড়াই শব্দটি আল্লাহর একদম পছন্দ নয় চাই সে কথায় অহংকার থাক বা না থাক। মূলত এখন আমাদের চিকিৎসা করে অসহায়ত্ব প্রকাশ করা ও বেশি বেশি তাওবা করার সময়। কেননা করোনা একটি আসমানী মুসিবত আর আসমানী মুসিবতে আল্লাহর রহমত ও সাহায্য ছাড়া মানুষের করার কিছুই নেই।

  #আর আল্লাহর রহমত ও সাহায্য তখনই আসবে যখন মানুষের মধ্যে চারটি গুণ থাকবে।

  রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে যতক্ষণ আমার উম্মতের মাঝে চারটি গুণ থাকবে ততক্ষণ কোন বিপদ তাদের স্পর্শও করবে না এবং আল্লাহর রহমত ও সাহায্য তাদের ছায়াসঙ্গী হবে। ১/ সদা সত্য বলা। ২) আমানতের খিয়ানত না করা। ৩/ অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা সমাজ থেকে পুরোপুরি নির্মূল করা। ৪/ হালাল খাদ্য ভক্ষণ করা ও সম্পূর্ণরূপে যে কোন প্রকার হারাম কার্যকলাপ বর্জন করা।

  #আল্লাহ্ আমাদের আমল করার তৌফিক দিন,

Friday, 8 May 2020

সামাজিক, পারিবারিক বন্ধন, আমাদের জীবনের উচ্চতায় টিকে থাকার ভারসাম্য।


শিক্ষনীয়.........

 ** বাবাকে ছেলের জিজ্ঞাসা, সফল জীবন কাকে বলে?

 -বাবা বললেন, আমার সাথে চলো, আজ ঘুড়ি উড়াবো।
 -বাবা ঘুড়ি ওড়ানো শুরু করলেন। ছেলে মনযোগ দিয়ে দেখছে। আকাশে ঘুড়ি বেশ কিছু উপরে উঠার পর বাবা বললেনঃ

 -ঐ দেখো ঘুড়িটা অতো উঁচুতেও কেমন বাতাসে ভেসে আছে। তোমার কি মনে হয়না, এই সূতার টানের কারণে ঘুড়িটা আরোও উপরে যেতে পারছেনা?

 -তা ঠিক, সূতো না থাকলে ওটা আরও উপরে যেতে পারতো!

 বাবা হঠাৎ সূতোটা কেটে দিলেন। ঘুড়িটা সূতার টান মুক্ত হয়েই প্রথমে কিছুটা উপরে গেল। কিন্তু একটু পরেই নিচের দিকে নামতে নামতে মা‌টি‌তে প‌রে গেল।
 এবার বাবা ছেলেকে জীবনের সফলতার বাস্তব গল্প শুনাচ্ছেন ...

 শোনো, জীবনে আমরা যে উচ্চতায় আছি বা থাকি সেখান থেকে প্রায়ই মনে হয় ঘুড়ির সূতার মত কিছু কিছু বন্ধন আমাদের আরও উপরে যেতে বাধা দেয়।
 যেমনঃ
 ■ মা-বাবা।
 ■ পরিবার।
 ■ অনুশাসন।
 ■ সন্তান।
 আর আমরাও সেইসব বাঁধন থেকে কখনো কখনো মুক্ত হতে চাই। বাস্তবে ঐ বন্ধনগুলোই আমাদের উঁচুতে টিকিয়ে রাখে, স্থির রাখে, নিচে পড়ে যেতে দেয় না। ঐ বন্ধন না থাকলে আমরা হয়তো ক্ষণিকের জন্য কিছুটা উপরে যেতে পারি, কিন্তু অল্পসময়ের ব্যবধা‌নে আমাদেরও পতন হবে ঐ বিনে সূতোর ঘুড়ির মতই!
 জীবনে তুমি যদি উঁচুতে টিকে থাকতে চাও। তবে কখনোই ঐ বন্ধন ছিড়বে না। সুতা আর ঘুড়ির মিলিত বন্ধন যেমন আকাশে ঘুড়িকে দেয় ভারসাম্য, তেম‌নি সামাজিক, পারিবারিক বন্ধনও আমাদের জীবনের উচ্চতায় টিকে থাকার ভারসাম্য দেয়। আর এটাই প্রকৃত সফল জীবন।

 

Thursday, 7 May 2020

জান্নাত পাওয়ার সহজ ৪ টি আমল।

জান্নাত পাওয়ার সহজ ৪ টি আমল, নিয়মিত আমল করুন, সন্তানদের শিক্ষা দিন.!!🌻

১. প্রতিবার ওযূর পর কালিমা শাহাদাত পড়া। এতে জান্নাতের ৮ টি দরজার যে কোনটি দিয়ে তাকে প্রবেশ করতে বলা হবে।

[নাসাঈ-১৪৮, তিরমিযী-৫৫, ইবনু মাজাহ-৪৭০]

উচ্চারণ: আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্দাহু লা শারীকালাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু।

২.প্রতিবার ফরয সালাতের পর একবার আয়াতুল কুরসি পড়া। নিয়মিত আমল করলে আমলকারী ও জান্নাতের মধ্যে পার্থক্য থাকে শুধুমাত্র মৃত্যু। অর্থাৎ মৃত্যু হলেই জান্নাতি।
[নাসাঈ-৯৯২৮]

উচ্চারণ: আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্বইয়্যুমু লা তা খুজুহু সিনাত্যু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিছছামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্। মান যাল্লাযী ইয়াস ফায়ু ইন দাহু ইল্লা বি ইজনিহি ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খল ফাহুম ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম্ মিন ইল্ মিহি ইল্লা বিমা সাআ ওয়াসিয়া কুরসিইউ হুস ছামা ওয়াতি ওয়াল আরদ্ ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলিয়্যূল আজীম।

৩.মনোযোগী হয়ে, আন্তরিক বিশ্বাসের সাথে আযানের উত্তর দেওয়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি আন্তরিক বিশ্বাসের সাথে আযানের উত্তর দেয়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়।
[মুসলিমঃ ৩৮৫, আবূ দাউদ-৫২৭, মিশকাত-৬৫৮]

উচ্চারণ: আযানের সময় মুয়াজ্জিন যা যা বলে, তার সাথে তাই বলতে হবে। শুধুমাত্র মুয়াজ্জিন যখন “হাইয়্যা আ’লাস সালাহ” ও “হাইয়্যা আ’লাল ফালাহ” বলবে, তখন তার উত্তরে সেটা না বলে বলতে হবে “লা হা’উলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ”।

৪. প্রথম তাকবীরের সাথে একটানা ৪০ দিন জামাতে সালাত আদায় করা। এতে মুনাফিকের খাতা থেকে নাম কাটা যাবে আর জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেয়া হবে।

[তিরমিযী-২৪১]

Wednesday, 6 May 2020

নির্মমতা কতদূর গড়ালে জাতি হয় নির্লজ্জ?

নির্মমতা কতদূর গড়ালে জাতি হয় নির্লজ্জ?

(একবার আবদুল হাইয়ের জায়গায় নিজেকে কল্পনা করুন)

আবদুল হাই (৬৫) অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। তার মরদেহ নিয়ে বাড়িতে ঢুকলো অ্যাম্বুলেন্স। তখন রাত ১১টা। অ্যাম্বুলেন্সের আওয়াজ শুনে হাইয়ের আপন ভাই, চাচাতো-জেঠাতো ভাইয়েরা বেরিয়ে আসেন। প্রতিবেশীরাও হাজির।

না, তারা কেউ লাশ নামাতে আসেনি। এসেছে যেন কেউ লাশটি নামাতে না পারে! সবাই একবাক্যে বলে দিলো, আবদুল হাই করোনায় মারা গেছে। তার লাশ গ্রামে দাফন করা যাবে না।

হাইয়ের স্ত্রী ফিরোজা এবং ছেলে শাহজাহান বারবার চেষ্টা করেও বোঝাতে পারেন না। লাশ নামাতে উদ্যত হলে উপস্থিত লোকজন তাদের ওপর চড়াও। ফিরোজা কান্নাকাটি শুরু করলেন। আকুতি জানালেন, গ্রামের কবরস্থানে জায়গা না হলে নিজের ভিটেমাটিতে স্বামীকে কবর দেবেন।

ফিরোজার কান্নায় কারও মন গললো না। উল্টো উত্তেজিত লোকজন মা-ছেলেকে এসে মারপিট শুরু করলো। এই ‘বীরপুরুষের’ দল গ্রাম রক্ষা করতে চায়। সাফ জানিয়ে দেয়, মরদেহ এখানে দাফন হবে না!

মা-ছেলে অ্যাম্বুলেন্স ঘুরিয়ে চলে যান আরেক গ্রামে আত্মীয়ের বাড়ি। সেখানেও প্রত্যাখাত তারা। এভাবে রাত ২টা বেজে গেল। একটি ভ্যানগাড়ি জোগাড় করেন শাহজাহান। অ্যাম্বুলেন্স থেকে বাবার লাশ নামিয়ে ভ্যানে তোলেন। ছেলে ভ্যান টানছেন, বাবার মরদেহের পাশে মা বসে আছেন।

ঘটনাটি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে। আবদুল হাইয়ের বাড়ি পৌরসভার সাতুতি গ্রামে। নানা গ্রাম ঘুরে হাইয়ের মরদেহ নিয়ে ভ্যানটি থামে পৌরসদরের একটি ধান মহালের সামনে।

গভীর রাতে থানায় এ খবর গেলে পুলিশ ছুটে আসেন। তারা আবদুল হাইয়ের মরদেহ নিয়ে সাতুতি গ্রামে যান। ওই গ্রামেই মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করেন।

বুঝতে পারছি না, কোন দেশে বসবাস করছি! একবার চিন্তা করুন, যদি সত্যিই আবদুল হাই করোনার রোগী হতেন, সত্যিই করোনায় মারা যেতেন, তাহলে কী অবস্থা হতো?

স্বামীর মরদেহ নিয়ে একজন স্ত্রীর কিংবা বাবার মরদেহ নিয়ে সন্তানের রাতভর ছুটোছুটির এই ছবি কল্পনা করলেই শিউরে উঠি। সাতুতি গ্রামের এই কাপুরুষেরা কোনোদিন মরবে না? ইতিহাস সাক্ষি থাকবে।

সামনে আরও কত ভয়ংকর অমানবিকতা অপেক্ষা করছে কে জানে ??

Monday, 4 May 2020

সেই ছোট বেলায়, ফিরে যেতে মন চায়। At that young age, the mind wants to go back.

শুক্রবারে সিনেমা দেখতাম। দিন ঘুরে নতুন
নিয়ম
বৃহস্পতি, শনিও হত। পুরো বাড়িতে একটা
সাদাকালো
টিভি, ঘরভর্তি মানুষ। সাড়ে তিনটায়
সিনেমা শুরু, তিনটা
থেকেই জায়গা দখলের চেষ্টা। সেই সুবাদে
সিনেমা শুরু হবার আগে আবহাওয়ার খবর
দেখা,
বৌদ্ধদের ত্রিপিটক পাঠ শোনা। তারপর
সেই
মাহেন্দ্রক্ষণ "সিনেমা শুরু"। মনেমনে
প্রার্থনা,
এডব্রেস (বিজ্ঞাপন) যেন না আসে। কিন্তু
বিজ্ঞাপন
ঠিকই আসে। বড়রা বিজ্ঞাপনের
ফাঁকেফাঁকে
অনেক কাজ সেরে নিত। আমরা ছোটরা,
আঙুল
দিয়ে বিজ্ঞাপণ গুনতাম। ত্রিশটা
বিজ্ঞাপণ দেখানোর
পরই সিনেমা শুরু হবে ততোদিনে আমাদের
মুখস্ত
ছিল। রুবেল, দিতি, জসীম, সাবানা,
ববিতা, রাজ্জাক ছিল
সেসময়ের কাঙখিত নায়ক নায়িকা। এদের
কেউ নেই
মানে সিনেমা পানসে। রাজীব, রানি,
শরীফ, জাম্বু
ভিলেন থাকার কারণে কতো গালিই যে
খেত তার
হিসেব নেই। নায়ক মার খেলে আমাদের
আফসোস হত, ভিলেনকে মারার সময় বলতাম,
"মার..মার.."।
কোকাকোলার সাথে পাওয়া "ইও ইও"
খেলনা ছিল
বেশ জনপ্রিয়। হাতের মধ্যে সুতা দিয়ে
পেচিয়ে
চ্যাপটা আকৃতির রাউন্ড গোলকটা কে করবার
হাতে
আপ ডাউন করাতে পারে তা নিয়ে হত
প্রতিযোগিতা।
বিড়িং নিয়ে খেলা হত। মেয়েরা কাপড়ের
তৈরি পুতুল
বানাত, সেই পুতুলের জামা বানাতো,
বিয়েও দিত
অনুষ্ঠান করে। টাকাওয়ালা বাবার মেয়েরা
খেলত একটা
ব্যাটারিচালিত পুতুল দিয়ে। সেই পুতুলের
সুইচ অন
করলেই বাজত ‘চল ছাইয়া ছাইয়া’ গান।
ছেলেদের সব
থেকে দামী খেলনা ছিল রবোকোপ আর
পিস্তল।
বিকেলটা ছিল ছুটোছুটির। তখন খেলতাম
ইচিং বিচিং,
কুতকুত, বৌ ছি, ফুলের টোকা, বরফ পানি,
ছোঁয়াছুঁয়ি,
সাতচারা, ডাংগুলি, মাংস চোর। খুব
ছোটরা খেলার বায়না
ধরলে তাদেরকে "দুধভাত" হিসেবে খেলায়
নিতাম,
তবুও ছোট বলে তাকে বঞ্চিত করতাম না।
খেলার
মাঝে যদি কারো সাথে ঝগড়া হত তাহলে
কাইন
আঙুলে আড়ি নিতাম, দু দিন কথা বলতাম
না। তারপর আবার
আনুষ্ঠানিক ভাবে দুই আঙুলে ‘ ভাব’ নিতাম;
এখন
থেকে আবার কথা বলা যাবে। তখন আবার
রক্তের
বান্ধবীর প্রচলন ছিল। কারও হাত কাটলে
ছুটে
যেতাম রক্তের সই পাতাতে। আমার কাটা
আঙুলের
সাথে ভাল আঙুল মিলিয়ে হতাম "রক্তের
বান্ধবী,
কোনদিন এই বন্ধুত্ব যাবেনা"। কই গেল
আমার সেই
বান্ধবী গুলা??
সন্ধ্যা হলেই শুরু হত যন্ত্রণা। বই খাতা খুলে
পড়তে
বসো। সবার আগে পড়তাম সমাজ। বেশি
বিরক্ত লাগত
অংক। কি যে নল চৌবাচ্চা, ১ম পাইপ, ২য়
পাইপ। মাথাটা
এলোমেলো করে দিত।তখন নিয়ম করে
কারেন্ট যেত, এতো চার্জার লাইট ছিলনা।
মোম,
হারিকেনি ভরসা। অংক করতে বিরক্তি
থেকে মুক্তি
পেতে দোয়া করতাম, "আল্লাহ, কারেন্ট
যা"।
হিসেবি মায়েরা কেরোসিন, মোম খুব
জ্বালাত না।
কারেন্ট গেলেই পড়া থেকে মুক্তি। যেই
কারেন্ট যেত অমনি সবাই একসাথে চিৎকার
করে
বেড়িয়ে আসতাম ঘর থেকে। শুরু হয় নতুন
খেলা,
"চোখ পলান্তিস" (অন্ধকার থেকে লুকিয়ে
থাকা
একেক জনকে খুঁজে বের করা) তবে আলিফ
লায়লা দেখার সময় কারেন্ট গেলে মন ভীষণ
খারাপ
হত।
ঈদ আসলে আমরা ঈদ কার্ড কিনতাম।
"মিষ্টি মিষ্টি
হাসিতে, দাওয়াত দিলাম আসিতে"- এমন
ছন্দ লিখে বন্ধু
বান্ধবদের দাওয়াত দিতাম। সেই সময় সব
চাইতে দামী
জরি ওয়ালা ঈদ কার্ড যেটা ছিল সেটা
খুললে ভেতর
থেকে অবিশ্বাস্য ভাবে মিউজিক বাজত।
ঈদের জামা
ঈদের দিন ছাড়া কাউকে দেখাতাম না,
পুরানো হয়ে
যাবে ভেবে। জামা লুকিয়ে রাখা ছিল
সেসময়
আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ।
কলমের নিপ মুখে নিয়ে কামড়াতে
কামড়াতে
ক্লাশের সিলিং ফ্যানের দিকে তাকিয়ে
ভাবতাম, এখন
যদি ফ্যানটা খুলে পড়ে তাহলে সেটা কার
মাথায়
পড়বে ? ভাবনা শেষে দেখতাম ফ্যান
ফ্যানের
জাগাতে আছে, কলমের নিপটা আর কলমে
লাগানো
যাচ্ছেনা, কামড়ে চ্যাপটা হয়ে গেছে।
পেন্সিলের মাথার রাবার খেয়ে ফেলেছি
কত
হিসেব নেই। পেন্সিল কাটার হারিয়ে মরা
কান্না কাঁদতাম।
খেলার সময় নিয়ম ছিল, যার ব্যাট সে আগে
ব্যাটিং
করবে। যার র্যাকেট সে কখনো বেট্টাস
হবেনা।
প্রতিদিন কটকটি ওয়ালা আসত, সমপাপড়ি
বেচত। সেই
কটকটি বা সমপাপড়ি কিনতে কোন টাকা
লাগত না।
পুরনো কাগজ, প্লাস্টিকের কিছু একটা
দিলেই কটকটি
পাওয়া যেত। তারা ডাকতোই এই বলে,
"লাগবো পুরানা
ভাংগাচুড়া, লোহা লক্কড়, ছিঁড়াফাঁরা জুতা
দিয়া কটকটি"। আমরা
এক টাকা দিয়ে বোম্বে আইসক্রিম খেতাম,
সেকারিন মিশানো। খেলেই জিভ ঠোট
লাল হয়ে
যেত। সেই লাল ঠোট নিয়ে আমাদের কি
গর্ব,
আজো চোখে ভাসে।
কী সব সোনালী দিন ছিল আমার। আজকের
অলস
দুপুর এইসব ভেবেই কেটে গেল। নব্বইয়ের
দশক...কোথায় হারিয়ে গেল। প্রযুক্তি
আমাদের
কোথায় এনে দাড় করালো। আহা... শৈশব..
ঝলমলানি
শৈশব।
কি বন্ধুৱা মনে কি পৱে সেই সব দিন গুলোৱ
কথা??????
,,
ভাই এই গুলা মনে হলে মন টা খারাপ হয়
ঠিকি কিন্তু যখন ভাবি এগুলা আমাদের
ছোট বেলার কাহিনী তখন খুব ভালো।

Sunday, 3 May 2020

পর্দার বিধান।The provision of the screen

পর্দার বিধান

 সকল নারী ও বান্ধবীদের দৃষ্টি
 আকর্ষণ করছি...
 নারীদের পোশাক ঃ
 ১. নারীদের সতর হচ্ছে গায়ের
 মাহরাম বা যাদের সাথে বিয়ে
 জায়েজ আছে তাদের সামনে
 পুরোটাই হচ্ছে তাদের সতর। আর
 মাহরামদের সামনে মুসলিম সমাজে
 প্রচলিত যেই পোশাককে শালীন
 হিসেবে ধরা হয়ে সেটা (যেমন-
 সালোয়ার-কামিজ) সে পড়তে
 পারে। এক্ষেত্রে সে তার
 মাহরামদের সামনে চুল, হাতের
 কিছুটা অংশ এইগুলো উন্মুক্ত রাখতে
 পারে, মোটকথা অশ্লীল কোনো
 কিছু না হলেই হলো।
 ২. নামাযে মুখ, হাতের কবজি উন্মুক্ত
 থাকতে হবে। তবে পর পুরুষ থাকলে
 মুখও ঢেকে রাখতে হবে।
 ৩. কাফের, ব্যভিচারী
 নায়িকাদের পোশাক, স্টাইল
 ফ্যাশান অনুকরণ করা সম্পূর্ণ হারাম।
 ৪. পুরুষদের শার্ট, গেঞ্জি, ফতুয়া,
 প্যান্ট – এইগুলো পড়া সম্পূর্ণ হারাম।
 ঘরে বাইরে সব জায়গাতেই হারাম।
 এমনকি স্বামী যদি শুধু তার জন্য
 পড়তে বলে তবুও হারাম, স্বামীর এই
 কথাটা মানা যাবেনা। বোরখার
 নিচে জিন্সের প্যান্ট যদিওবা
 পুরোটা ঢাকা থাকে, তবুও হারাম।
 আর আধা হিজাবি কিছু নারী থ্রি-
 কোয়ার্টার বোরখা (কোমর বা হাঁটু
 পর্যন্ত) পড়ে নিচে টাইট
 সালোয়ার/প্যন্ট আরো অন্যান্য নাম
 না জানা চরম মাত্রার আপত্তিকর
 টাইট পোশাক পড়ে। এরা চরম অজ্ঞ,
 ধোঁকাবাজ নারী, এদের দেখতে
 ভালো লাগে দেখে ধোঁকায় পড়ে
 যাবেন না। লম্পট লোকদের চোখের
 জেনার দ্রব্য এই সমস্ত নারীদের
 জান্নাতে যাওয়া কঠিন বৈ সহজ
 হবেনা। এইগুলো আল্লাহর লানত
 পাওয়ার মতো কাজ।
 ৫. বোরখা হবে ঢিলেঢালা,
 আরামদায়ক কাপড় ও সাইজের, অবশ্যইট
 টাইট ও নক্সাদার, জলমলে হবেনা,
 এইগুলো আরেক ফেতনা। বোরখা
 নারীদের সৌন্দর্যকে ঢাকার জন্য,
 সেটাই যদি আরেকটা সৌন্দর্যের
 উতস হয় তাহলে কি করে হবে?
 ৬. চেহারা পর পুরুষদের সামনে
 উন্মুক্ত রাখবেন না। অজ্ঞ বা অল্প
 শিক্ষিত দ্বায়ী অথবা আলেমদের
 ভুল ফাতওয়া গ্রহণ করে নিজের
 দ্বীনের বারোটা বাজাবেন না।
 চেহারাটাই হচ্ছে পুরুষদের জন্য মূল
 আকর্ষণ। সেইখানে চেহারা প্রকাশ
 করে গায়ে এক্সট্রা একটা কাপড়
 দিলে সেটা কতটা কার্যকরী
 হবে,ফেতনা এড়ানোর জন্য?
 ৭. সৌন্দর্যের জন্য হাতে পায়ে
 মেহেদী দিতে পারবেন, তবে পর
 পুরুষকে দেখানো যাবেনা।
 ৮. জরুরী প্রয়োজনের পর পুরুষের
 সাথে কথা বললে মিষ্টি ও নম্র
 ভাষায় কথা বলবেন না, এতে পুরুষের
 লাই পেয়ে যায় পরে ডিস্টার্ব
 করবে বা আপনাকে পথভ্রষ্ট করবে।
 ৯. ছবি তুলবেন না। আপনার বান্ধবী
 আপনার ছবি তার বয়ফ্রেন্ড/ছেলে
 বন্ধুদের দেখিয়ে বেড়াবে,
 মাঝখান থেকে আপনার গুনাহ হবে,
 ঐ ছেলদেরকে আপনার ফোন
 নাম্বার দিয়ে আপনাকে পটাতে
 বলবে। অনেক ক্ষেত্রে নারীরাই
 নারীদের বড় ক্ষতি করে, এর প্রমান
 আমি নিজে জানি। যত্রতত্র ছবি
 তুলে বেড়াবেন না, গায়ের
 মাহরামকে চেহারা দেখাবেন
 না। আর তাদের ব্যপারে কিইবা
 বলার আছে, যারা ফেইসবুকে ছবি
 পোস্ট করে নিজের মান-ইজ্জত
 পুরুষদের কাছে বিক্রি করে দেয়
 সামান্য ২-৪টা লাইক পাওয়ার
 লোভে। এইগুলো কি আসলে এতোই
 দামি যে এইগুলোর জন্য
 জাহান্নামেও যাওয়া যেতে
 পারে? (ওয়াল ইয়াযু বিল্লাহ)
 ১০. রাস্তা ঘাটে বেহায়া
 বেপর্দা মেয়েদের মতো হৈচৈ
 করে পুরুষদেরকে উস্কে দেবেন না।
 আপনি একজন পুরুষের যৌন কামনার
 জন্য কারণ হলে তারজন্য আপনি
 দায়ী থাকবেন। বাহিরে স্বরকে
 এমন করবেন না যে পুরুষদের কামনার
 বস্তু হবে। একটা কথা মনে রাখবেন –
 নারীদের সব কিছু, সবকিছুই হচ্ছে
 “যিনাত” বা সৌন্দর্য, যা পুরুষদের
 মতো নয়। পুরুষদের চেহারা, শরীর, কন্ঠ
 কোনোকিছুই নারীদের মতো সুন্দর
 নয়, এইজন্যই নারীদের সৌন্দর্য
 ইসলামে মূল্যবান হিসেবে
 বিবেচিত। ঝিনুকের মাঝে যেমন
 মুক্তার মতো সম্পদ নিরাপদে
 লুকানো থাকে, ইসলাম
 নারীদেরকেও সেইরকম মূল্যবান হতে
 শিক্ষা দেয়। চরিত্রহীন বেহায়া
 মেয়েদের মতো পুরুষদের জন্য
 নিজেকে সস্তা অথবা ফ্রী করে
 দিতে নিষেধ করে।
 ১১. অনেকেই মনে করেন সাধারণ
 পোশাক পড়ে মাথায় একটা ওড়না
 দিলেই হিজাব-পর্দা হয়ে যাবে।
 জানা থাকা ভালো এটা তুর্কী
 (পথভ্রষ্টদের) স্টাইল। নারীদের
 হিজাব পর্দার জন্য সাধারণ
 পোশাকের উপরে আলাদা বোরখা
 অথবা ঢিলেঢালা চাদড় দিয়ে
 শরীর আবৃত করতে হবে, বিশেষ করে
 ওড়না দিয়ে চেহারা ও বুকের
 উপরে ঝুলিয়ে দিতে হবে।
 ১২. ফতুয়া, গেঞ্জি বা টাইট
 সালোয়াড় পড়ে কিন্তু ওড়না না
 ব্যবহার করে বুক উন্মুক্ত রেখে যেই
 সমস্ত নারী রাস্তায় নেমে পড়ে
 এরা আসলে রাস্তার মেয়ে।
 এদেরকে শয়তানের মতোই ঘৃণা
 করবেন।
 ১৩. নেটের কাপড়ের বা অত্যন্ত
 পাতলা কাপড় যা দিয়ে আলো-
 বাতাস যাওয়া আসে করে
 এমনভাবে যে শরীর দেখা যায়, এইসব
 ভুলেও পড়বেন না – এইগুলো
 জাহান্নামী নারীদের পোশাক।
 এদের ব্যপারেই হাদীসে বলা
 হয়েছে, এরা কাপড় পড়েও উলংগ
 নারী যারা জান্নাতের সুবাসটুকুও
 পাবেনা।
 ১৪. পারফিউম, সেন্ট মেখে বাইরে
 যাবেন না। যারা যাবে হাদীসে
 বলা হয়েছে, তাদেরকে
 ব্যভিচারি নারী হিসেবে লেখা
 হবে।
 ১৫. হিন্দুদের ধুতির স্টাইলে
 পায়জামা পড়বেন না, ফ্যাশানের
 কারণে জাহান্নামে যাবেন না।
 ১৬. কলেজ, ইউনিভার্সিটির
 অনুষ্ঠানে বা পিকনিক উপলক্ষ্যে
 শাড়ী পড়ে বের হবেন না, হিজাব
 পর্দাকে ছুঁড়ে ফেলে দেবেন না।
 (এটা আমি নিজেই দেখেছি, আর
 শুনলাম বর্তমানে এটা
 দুঃখজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে). মনে
 রাখবেন হিজাব পর্দাকে ছুঁড়ে
 ফেলে ২দিনের দুনিয়াকে ভোগ
 করতে গেলে, দুনিয়টাও একদিন
 আপনাকে ব্যবহার করে ছুঁড়ে ফেলে
 দেবে। একটু খোজ নিয়ে দেখেন,
 যেই সমস্ত মানুষ এইগুলোতে লিপ্ত
 তাদের শেষ পরিণতি কি হয়েছে।
 ভার্সিটির শিক্ষক ছাত্রদেরকে
 উত্তেজিত করার দায়িত্ব আপনাকে
 দেওয়া হয়নি। নিজের ইজ্জত-আব্রু
 নিজে রক্ষা করবেন।
 ১৭. শাড়ি পড়লে অবশ্যই পেট পিঠসহ
 শরীর ঢাকা থাকতে হবে। স্বামী
 ছাড়া অন্য কারো সামনে না পড়াই
 ভালো। শাড়ি দিয়ে আমাদের
 দেশের নারীদের লজ্জা-শরম
 ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে।
 নাউযুবিল্লাহ, তরুণী একটা মেয়েও
 পেট পিঠ বের করে রাস্তায়
 বেড়িয়ে পড়ে – কোনো লজ্জা-
 শরমের বালাই নাই।
 এখানে বেশিরভাগ পয়েন্টের
 ব্যপারে অনেক সহীহ হাদীস
 এসেছে এবং এইগুলোর ব্যপারে
 অত্যন্ত কঠোরভাবে সতর্ক করা
 হয়েছে। আসলে বললে আরো অনেক
 অনেক বলা যাবে যে,
 সারাদিনেও শেষ হবেনা।
 আপনারা ইন শা’ আল্লাহ পড়াশোনা
 করে নিজেরাও কিছু জানার ও
 বোঝার চেষ্টা করবেন।

Saturday, 2 May 2020

আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জীবনী।Biography of Allama Sayedee


 আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সংক্ষিপ্ত জীবনী
 ↓
 .জন্মঃ - ১৯৪০ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলার সাইদখালী গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
 পিতার নামঃ ইউসুফ সাঈদী যিনি একজন স্বনাধন্য ইসলামী পণ্ডিত বা আলেম ছিলেন।
 মায়ের নামঃ-গুলনাহার বেগম।
 .
 আল্লামা সাইদীর সন্তানঃ-
 চার ছেলে- মরহুম রফিক সাইদী, শামীম সাইদী, মাসুদ সাইদী এবং নাসিম সাইদী।
 .
 শিক্ষা জীবনঃ - পিতার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসায় প্রাথমিক শিক্ষা জীবন সমাপ্ত করেন।পরে তিনি খুলনা আলিয়া মাদ্রাসায় কিছুদিন এবং পরে ১৯৬২ সালে ছারছিনা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল পাশ করেন।কামিল পাশ করার পর বিভিন্ন ভাষা,ধর্ম,বিজ্ঞান ,রাজনীতি,অর্থনীতি,পররাষ্ট্রনীত
 ি,মনোবিজ্ঞান ও বিভিন্ন তত্তের উপর দীর্ঘ ৫ বছর অধ্যায়ন করেন ।
 .
 দায়ী ইলাল্লাহঃ - ১৯৬৭ সাল থেকে তিনি নিজেকে “দায়িইলাল্লাহ” হিসেবে আত্মনিয়োগ করেন । মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইদী পৃথিবীর অর্ধশতেরও বেশি দেশে আমন্ত্রিত হয়ে ইসলামের সু-মহান আদর্শ মানুষের কাছে তুলে ধরেছেন।দেশে তাঁর ৫০ বছরের ইসলাম প্রচারের নমুনা দেখুন সংক্ষেপে—
 ক. চট্টগ্রাম প্যারেডগ্রাউন্ড ময়দানে প্রতি বছর ৫ দিন করে টানা ২৯বছর।পবিত্র কাবাশরীফের সম্মানিত ইমাম এ মাহফিলে দু’বার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
 খ. খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দান সহ শহরের বিভিন্ন মাঠে প্রতি বছর ২ দিন করে ৩৮ বছর
 গ. সিলেট সরকারী আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে প্রতি বছর ৩ দিন করে টানা ৩৩ বছর
 ঘ. রাজশাহী সরকারী মাদ্রাসা মাঠে প্রতি বছর ৩ দিন করে এক টানা ৩৫ বছর
 ঙ. বগুড়া শহরে প্রতি বছর ২দিন করে এক টানা ২৫ বছর
 চ. ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে ময়দান ও পল্টন ময়দানে প্রতি বছর ৩ দিন করে এক টানা ৩৪ বছর।
 ছ. কুমিল্লা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে তিনদিন ব্যাপী তাফসীর মাহফিল করেছে প্রায় ৩১ বছর।
 .
 রাজনৈতিক জীবনঃ -১৯৭৯ সালে জামায়াতের সাধারণ সমর্থক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৮৯ সালে জামায়াতের মজলিসে শুরার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।সর্বশেষ বর্তমানে তিনি জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর দ্বায়িত্ব পালন করছেন।
 .
 আন্তর্জাতিক_অঙ্গনেঃ -
 ক. ১৯৭৬ সাল থেকে সৌদি আমন্ত্রনে রাজকীয় মেহমান হিসেবে তিনি হজ্জব্রত পালন করে আসছেন। ১৯৯০ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর রমজান মাস মক্কা মদীনায় থাকা রুটিন হয়ে গিয়েছিল তাঁর।
 খ. ১৯৮২ সালে ইমাম খমিনির আমন্ত্রনে ইরানের প্রথম বিপ্লব বার্ষিকী উজ্জাপন উপলক্ষে তিনি তেহরান সফর করেন । ১৯৯১ সালে সৌদি বাদশার আমন্ত্রনে কুয়েত – ইরাক যুদ্ধের মিমাংসা বৈঠকে তিনি যোগদান করেন । ১৯৯১ সালে ইসলামী সারকেল অফ নর্থ অ্যামেরিকা তাকে “আল্লামা”খেতাবে ভূষিত করেন ।
 গ. ১৯৯৩ সালে নিউইয়ার্কে জাতিসঙ্ঘের সামনে অ্যামেরিকান মুসলিম ডে প্যারেড সম্মেলনে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইদিকে “গ্র্যান্ডমার্শাল “পদক দেয়া হয় ।দুবাই সরকারের আমন্ত্রনে ২০০০ সালের ৮ই ডিসেম্বর আরব আমিরাতে ৫০,০০০ হাজারেরও বেশি শ্রোতার সামনে তিনি কোরআনের তাফসির পেশ করেন ।
 ঘ. লন্ডন মুসলিম সেন্টারের উদ্ভধনি অনুষ্ঠানে কাবা শরিফের সম্মানিত ইমাম “শায়েখ আব্দুর রাহমান আস সুদাইসির” সাথে মাওলানা সাঈদি ও আমন্ত্রিত হন । মাওলানা সাঈদীর হাতে হাত রেখে ছয় শতাধিক অমুসলিম ইসলামের সুমহান আদর্শে দিক্ষিত হন ।
 .
 অন্যান্য তথ্যঃ -১ম কারাবরণঃ ১৯৭৫ সালে !
 .
 # হজ্বপালনঃ ১৯৭৬ সাল থেকে ২০১০ পর্যন্ত প্রতি
 বছর !
 .
 # আল্লামা_উপাধীঃ ১৯৯১সালে ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকা কতৃক আল্লামা উপাধি!
 .
 গ্রন্হ রচনাঃ ৭৫টি ।
 .
 # প্রিয়_রাজনৈতিক দলঃ জামায়াতে
 ইসলামী বাংলাদেশ !
 .
 প্রিয় ছাত্র সংগঠনঃ ছাত্রশিবির এবং
 ছাত্রী সংস্থা !
 .
 # প্রিয়_রাজনীতিকঃ আল্লামা মওদুদী
 রহঃ !
 .
 # প্রিয়_বক্তাঃ শায়খ আঃ হামিদ কিশক
 ,আহমদ দীদাত এবং কামালুদ্দীন
 জাফরী !
 .
 # প্রিয়_লেখকঃ আল্লামা মওদুদী , হাসানুল বান্না ,ডঃ মুরিস বুকাইলি,মাঃ আঃ রহিম এবং কৃষাণ চন্দর !
 .
 প্রিয় কবিঃ শেখ সাদী ,ওমর খৈয়াম ডঃ ইকবাল ,কাজী নজরুল এবং ফররুখ আহমথ !
 .
 প্রিয় বন্ধুঃ অধ্যাক্ষ মাওলানা সাইয়্যেদ
 কামালুদ্দীন জাফরী !
 .
 # ভয়ঃ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে !
 .
 ঘৃনাঃ দাম্ভিকতা ,কৃতঘ্নতা ,সময় অসচেতনতা এবং গিবত !
 .
 # স্বপ্নঃ বাংলাদেশে ইসলামী শাসন বাস্তবায়ন !
 .
 # কামনাঃ শহীদি মৃত্যু !
 .
 অবসরেঃ অধ্যয়ন ,আত্নীয় স্বজনদেরকে সঙ্
 দান !
 .
 # স্বরনীয়_মুহূর্তঃ প্রথম কাবা দর্শন !
 .
 # জীবনের_আদর্শ_পুরুষঃ হযরত মুহাম্মদ
 সাঃ !
 .
 ২য় গ্রেফতারঃ ২৮ জুন ২০১০! এখন কথিত যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যু দন্ড এবং আপিলে যাবজ্জীবন জেল হওয়ায় তিনি জেল খানায় বর্তমান। তাকে ভালবেসে তার অবৈধ রায়কে কেন্দ্রকরে আন্দোলন ও প্রতিবাদ মিছিল করতে গিয়ে প্রায় ১৫০এরও বেসি বাংলাদেশি বনি আদম শহিদ হন, তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করি। আমিন।
 "আসুন আমরা সবাই কুরআনের পাখির জন্য দোয়া করি প্রাণ উজার করে। হে আল্লাহ!তুমি কুরআনের পাখি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে দ্রুত মুক্ত ভাবে কুরআনের দাওয়াতী কাজে মশগুল থাকার ব্যবস্থা করে দাও-
 আমিন।....


  #Allama_Saidi's_Brief_Biography

  ↓
  .
  # Born: - Born on 2nd February 1940 in Saidkhali village of Pirojpur district.
  Father's name: Yusuf Sayedee who was a renowned Islamic scholar.
  Mother's name: Gulnahar Begum.
  .
  Son of Allama Saidi: -
  Four sons - the late Rafiq Saidi, Shamim Saidi, Masud Saidi and Nasim Saidi.
  .
  #Education_Life: - He completed his primary education in the madrasa established by his father. Later he passed Kamil in Khulna Alia Madrasa for some time and later in 1972 he passed Kamil from Charchina Alia Madrasa.
  He studied psychology and various theories for 5 long years.
  .
  #Dai_Illah: - Since 1986, he has dedicated himself as "Daii Allah".  Maulana Delwar Hossain Saidi has been invited to more than 50 countries of the world and has presented the great ideals of Islam to the people. See a sample of his 50 years of preaching Islam in the country.
  A.  Chittagong Parade Ground Maidan for 5 days every year for 29 consecutive years. Honorable Imam of Holy Kabash Sharif was present as the chief guest twice in this mahfil.
  B.  Every year in different fields of the city including Khulna Circuit House Maidan for 2 years 36 years
  C.  Sylhet Government Alia Madrasa ground for 3 consecutive days every year for 33 years
  D.  Rajshahi Government Madrasa ground for 3 consecutive days every year for 35 consecutive years
  E.  In Bogra city 2 days every year for 25 consecutive years
  F.  Dhaka Kamalapur Railway Maidan and Paltan Maidan 3 days a year for 34 consecutive years.
  G.  Comilla Central Eidgah Maidan has held a three-day Tafsir Mahfil for almost 31 years.
  .
  #Political_Life: Joined Jamaat in 1989 as a general supporter.  He was elected as a member of the Shura in the Jamaat-e-Islami Majlis in 1989. Most recently, he is the Naib Ameer of the Jamaat-e-Islami.
  .
  #International_court: -
  A.  He has been performing Hajj as a royal guest at the invitation of Saudi Arabia since 1986.  From 1990 to 2006, the month of Ramadan became his routine in Mecca and Medina every year.
  B.  In 1972, at the invitation of Imam Khamenei, he visited Tehran to mark the anniversary of Iran's first revolution.  In 1991, at the invitation of the King of Saudi Arabia, he attended a meeting to resolve the Kuwait-Iraq war.  In 1991, the Islamic Circle of North America awarded him the title "Allama."
  C.  Maulana Delwar Hossain Saidi was awarded the "Grand Marshal" medal at the American Muslim Day Parade in front of the United Nations in New York in 1993. At the invitation of the Dubai government, he presented the Qur'anic exegesis to more than 50,000 listeners in the UAE on December 7, 2000.
  D.  Maulana Sayedee was also invited to the inauguration ceremony of the London Muslim Center along with the respected Imam of Kaaba Sharif "Shaykh Abdur Rahman As Sudaisir".  More than six hundred non-Muslims were immersed in the noble ideals of Islam by holding hands with Maulana Sayedee.
  .
  # Other_facts: -1st imprisonment: in 1985!
  .
  # Hajj: Every year from 198 to 2010
  Years!
  .
  # Allama_Upadhi: The title of Allama by the Islamic Circle of North America in 1991!
  .
  Book composition: 75.
  .
  #Favorite_political party: Jamaat
  Islamic Bangladesh!
  .
  Favorite student organization: Chhatrashibir and
  Student organization!
  .
  #Favorite_politician: Allama Maududi
  Rah!
  .
  #Favorite_Speaker: Shaykh AH Hamid Kishak
  , Ahmad Deedat and Kamaluddin
  Lantern!
  .
  #Favorite_Author: Allama Maududi, Hasanul Banna, Dr. Maurice Bucaille, Ms. A. Rahim and Krishan Chander!
  .
  Dear poets: Sheikh Saadi, Omar Khayyam, Dr. Iqbal, Kazi Nazrul and Farrukh Ahmed!
  .
  Dear friend: Principal Maulana Sayyed
  Kamaluddin Jafri!
  .
  # Fear: Allah Almighty!
  .
  Hate: arrogance, ingratitude, timelessness and backbiting!
  .
  #Dream: Implementation of Islamic rule in Bangladesh!
  .
  #Kamna: Martyr's death!
  .
  Retirement: study, association with relatives
  Donate!
  .
  #Swarniya_Muhurt: First Kaaba Darshan!
  .
  # Ideal_man_of_life: Hazrat Muhammad
  Sai!
  .
  2nd arrest: 26 June 2010!  He is currently in jail on a death sentence in a so-called war crimes case and a life sentence on appeal.  In love with him, more than 150 Bangladeshi Bani Adams were martyred while protesting and marching in protest of his illegal verdict. I pray for the forgiveness of their souls.  Amen.
  "Let us all pray for the birds of the Qur'an and give our lives. O Allah! Arrange for Allama Delwar Hossain Sayedee, the bird of the Qur'an, to be free and engaged in the work of preaching the Qur'an."
  Amen ...

Friday, 1 May 2020

কুরআনের যে আয়াতগুলো, মনে হচ্ছে,যেন নাজিল হল মাত্র! The verses of the Qur'an: It seems as if it has just been revealed!

আয়াতগুলো, মনে হচ্ছে, যেন নাজিল হল মাত্র!
যদিও তা দেড় হাজার বছর আগের।
 এত এত বার রয়েছে যে, আমাদেরকে আমাদের কর্মের জন্য এইরকম বা আরো ভয়াবহ আযাব দেয়া হবে। তারপরও কি আমরা নিজেকে পরিবর্তন এর চেষ্টা করছি!!? আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুক। চলুন একবার আয়াতগুলোর ভাবার্থ পড়ে আসি। সুযোগ থাকলে ব্যাখ্যা সহ পড়ি। এখানে আয়াতসমূহের ভাবার্থ দেয়া হয়েছে শুধুমাত্র।

 -সূরা আহযাব-৯
 -৯/ আর তারপর আমি তোমাদের শত্রুদের বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলাম এক ঝঞ্ঝা বায়ু এবং এক বাহিনী । এমন এক বাহিনী যা তোমরা চোখে দেখতে পাওনি ।

 -সূরা আন‌আম-৪২
 -৪২/ তারপর আমি তাদের উপর রোগব্যাধি, অভাব, দারিদ্র্য, ক্ষুধা চাপিয়ে দিয়ে ছিলাম, যেন তারা আমার কাছে নম্রতাসহ নতি স্বীকার করে ।

 -সূরা ইয়াসীন-২৮-২৯
 -২৮-২৯/ তারপর ( তাদের এই অবিচার মূলক জুলুম কার্জ করার পর ) তাদের বিরুদ্ধে আমি আকাশ থেকে কোনো সেনাদল পাঠাইনি । পাঠানোর কোনো প্রয়োজন‌ও আমার ছিল না । শুধু একটা বিস্ফোরণের শব্দ হলো, আর সহসা তারা সব নিস্তব্ধ হয়ে গেল ( মৃত লাশ হয়ে গেল )

 -সূরা আ'রাফ-১৩৩
 -১৩৩/ শেষ পর্যন্ত আমি এই জাতিরকে পোকামাকড় বা পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ, রক্ত, প্লাবন ইত্যাদি দ্বারা শাস্তি দিয়ে ক্লিষ্ট করি ।

 -সূরা বাকারা-২৬
 -২৬/ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ মশা কিংবা এর চাইতেও তুচ্ছ বিষয় ( ভাইরাস বা জীবাণু ) দিয়ে উদাহরণ বা তাঁর নিদর্শন প্রকাশ করতে লজ্জাবোধ করেন না ।

 -সূরা আ'রাফ-৯৪
 -৯৪/ ওর অধিবাসীদেরকে আমি দূঃখ, দারিদ্র্য রোগ-ব্যধি এবং অভাব-অনটন দ্বারা আক্রান্ত করে থাকি । উদ্দেশ্য হলো তারা যেন, নম্র এবং বিনয়ী হয় ।

 -সূরা মুদ্দাসসির-৩১
 -৩১/ তোমার "রবের" সেনাদল বা সেনাবাহিনী ( কত প্রকৃতির বা কত রূপের কিংবা কত ধরনের ) তা শুধু তিনিই জানেন ।

 -সূরা আন'আম-৬৫
 -৬৫/ তুমি তাদের বলঃ যে আল্লাহ্ তোমাদের ঊর্ধ্বলোক হতে বা উপর থেকে এবং তোমাদের পায়ের নিচ হতে শাস্তি বা বিপদ পাঠাতে পূর্ণ সক্ষম ।

 -সূরা আ'রাফ-৯১
 -৯১/ তারপর আমার ভূমিকম্প তাদেরকে গ্রাস করে ফেললো । ফলে তারা তাদের নিজেদের গৃহেই মৃত অবস্থায় উল্টো হয়ে পড়ে রইল ।

 -সূরা কামার-৩৪
 -৩৪/ তারপর আমি এই লূত সম্প্রদায়ের ওপর প্রেরণ করেছিলাম প্রস্তর বর্ষণকারী এক প্রচন্ড ঘুর্ণিবায়ু ।

 -সূরা ইউনুস-১৩
 -১৩/ অবশ্যই আমি তোমাদের পূর্বে বহু জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছি, যখন তারা সীমা অতিক্রম করেছিলো।

 -সূরা নং-৩৪ , আয়াত নং-১৬
 -১৬/ তারপর প্রবল বন্যার পানি তৈরি করলাম এবং ফসলি জমিগুলো পরিবর্তন করে দিলাম। অকৃতজ্ঞ অহংকারী ছাড়া এমন শাস্তি আমি কাউকে দিই না ।

 -সূরা বাকারা-১৪৮
 -১৪৮/ নিশ্চয়ই আল্লাহ্ প্রতিটি বস্তুর উপর (অর্থাৎ আরশ, পঙ্গপাল কিংবা ভাইরাস) সর্ব বিষয়ে সর্বশক্তিমান, সব‌ই তাঁর নিয়ন্ত্রণাধীন ।

 -সূরা বাকারা-৫৫
 -৫৫/ আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা, জান-মালের ক্ষতি এবং ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে পরীক্ষা করব । তবে তুমি ধৈর্যশীলদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও ।

 -সূরা সাফফাত-১৭৩
 -১৭৩/ আর আমার বাহিনীই হয় বিজয়ী ( আমার পরিকল্পনা পূর্ণ করে )

 -সূরা আন'আম-৪৪-৪৫
 -৪৪-৪৫/ অতঃপর যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদেরকে উপদেশ এবং দিক-নির্দেশনা দেওয়া হলো, তারা তা ভুলে গেল ( আল্লাহর কথাকে তুচ্ছ ভেবে প্রত্যাখ্যান করলো ) তাদের এই সীমালংঘনের পর আমি তাদের জন্যে প্রতিটি কল্যাণকর বস্তুর দরজা খুলে দিলাম অর্থাৎ তাদের জন্যে ভোগ বিলাসিতা, খাদ্য সরঞ্জাম, প্রত্যেক সেক্টরে সফলতা, উন্নতি এবং উন্নয়ন বৃদ্ধির দরজা সমূহ খুলে দিলাম । শেষ পর্যন্ত যখন তারা আমার দানকৃত কল্যাণকর বস্তু সমূহ পাওয়ার পর আনন্দিত, উল্লাসীত এবং গর্বিত হয়ে উঠলো, তারপর হঠাৎ একদিন আমি সমস্ত কল্যাণকর বস্তুর দরজা সমূহ বা সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দরজাসমূহ বন্ধ করে দিলাম । আর তারা সেই অবস্থায় হতাশ হয়ে পড়লো । তারপর এই অত্যাচারী সম্প্রদায়ের মূল শিকড় কর্তিত হয়ে গেল এবং সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর জন্যেই র‌ইলো, যিনি বিশ্বজগতের কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালনকারী বা সবকিছুর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণকারী "রব" ।

 -সূরা ত্বা'হা-১৪
 -১৪/ নিশ্চয়ই আমিই হলাম "আল্লাহ" । অতএব আমার আইনের অধীনে থাকো ।

 -সূরা মূলক্-১৬-১৭
 ১৬/ তোমরা কি ভাবনা মুক্ত হয়ে গিয়েছো যে , আকাশে যিনি আছের , তিনি তোমাদের সহ ভূমিকে ধ্বসিয়ে দিবেন না ?? অথবা তোমাদেরকে ভূ'গর্ভে বিলীন করে দিবেন না ?? এমন অবস্থায় যে ভূ'ভাগ তথা জমিন ( আল্লাহর নির্দেশে ) আকর্স্মীক ভাবে থরথর করে কাঁপতে থাকবে বা ভূমিকম্পকে চলমান করে দেওয়া হবে ।

 ১৭/ নাকি তোমরা ভাবনা মুক্ত হয়ে গিয়েছো যে , আকাশে যিনি আছেন , তিনি তোমদের উপর কংকরবর্ষী ঝঞ্ঝা বৃষ্টি কিংবা প্রস্তর বৃষ্টি বর্ষণ করার হুকুম দিবেন না ?? ( যদি আমি এমন করার হুকুম করি ) তখন তোমরা জানতে পারবে বা উপলব্ধি করবে , কেমন ছিল আমার সতর্ক বাণীর পথ-নির্দেশ ।

 -সূরা আ'রাফ-১৩০
 -১৩০/ তারপর আমি ফেরাউনের অনুসারীদেরকে কয়েক বছর পর্যন্ত দুর্ভিক্ষে রেখেছিলাম এবং অজন্ম ও ফসলহানি দ্বারা বিপন্ন করেছিলাম । ( সংকটাপন্ন এবং বিপদগ্রস্থ অবস্থায় রেখেছিলাম ) উদ্দেশ্য ছিল, তারা হয়তো আমার পথ-নির্দেশ গ্রহণ করবে এবং আমার প্রতি বিশ্বাস আনয়ন করবে আনবে । ( আমার আধিপত্য স্বীকার করে নিবে )

 -সূরা আ'রাফ-৯৭-৯৮
 -৯৭-৯৮/ জনপদের অধিবাসীরা কি ভাবনা মুক্ত হয়ে গিয়েছে সেই আল্লাহর বিষয়ে যে, তিনি তাদের উপর ঘুমন্ত অবস্থায় শাস্তি পাঠাবেন না ? যে শাস্তি তাদেরকে গ্রাস করে ফেলবে ! নাকি জনপদের অধিবাসীরা চিন্তা মুক্ত হয়ে গিয়েছে এই বিষয়ে যে, আমি তাদের উপর শাস্তি পাঠাবো না, এমন অবস্থায় যে যখন তারা আমোদ-প্রমোদে লিপ্ত ছিল ??

 -সূরা ফাজর্-৬-১৪
 -৬-১৪/ আপনি কি দেখেননি, আপনার "রব" আদ বংশের ইরাম গোত্রের সাথে কি আচরণ করেছিল ?? যাদের দৈহিক গঠন ছিল, স্তম্ভ এবং খুঁটির ন্যায় দীর্ঘ এবং তাদেরকে এত শক্তি ও বলবির দেওয়া হয়েছিল যে, সারা বিশ্বের শহরসমূহে অন্য কোন মানব গোষ্ঠীকে দেওয়া হয়নি । এবং সামুদ গোত্রকে যারা উপত্যকায় পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করতো এবং বহু সৈন্যবাহিনীর অধিপতি ফেরাউনের সাথে, যারা দেশের সীমা সমূহ লঙ্গন করেছিলো । অতঃপর সেখানে বিস্তর অশান্তি সৃষ্টি করেছিল । তারপর আপনার "রব" তাদের উপর শাস্তির কশাঘাত করলেন । নিশ্চয়ই আপনার "রব" প্রতিটি বিষয়ের উপর সতর্ক দৃষ্টি রাখেন ।

 -সূরা আল-ইমরান-১৭৮
 -১৭৮/ আমি জালিমদেরকে সুযোগ দিই বা বেঁচে থাকার সময় দে‌ই, তাদের পাপকে পাকাপোক্ত করার জন্য। ( এই বেঁচে থাকার সুযোগে তারা নিজেদের পাপের বোঝা বা পরিমাণকেই বৃদ্ধি করে থাকে ) অতঃপর তাদের জন্য রয়েছে কঠিন অপমানকর শাস্তি।

 -সূরা কাসাস্-৪
 -৪/ নিশ্চই ফেরাউন তার দেশে প্রচন্ড উদ্ধত সভাব দেখিয়ে ছিল এবং সে তার দেশের মানুষকে বিভিন্ন শ্রেণীতে বা বিভিন্ন দলে বিভক্ত করে দিয়েছিল । তারপর সে এক শ্রেণীর উপর অন্য শ্রেণী বা দলকে প্রাধান্য দিয়ে কোন কোন দল বা শ্রেণীকে ( ক্ষমতার অপব্যাবহারের মাধ্যমে বা অবিচার মূলক শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে ) দূর্বল করেছিল ।

 -সূরা মূলক্ -৩০
 -৩০/ তুমি তাদেরকে বলো যে , তোমরা কি ভাবনা বা চিন্তা করে দেখেছো কি ?? যদি আল্লাহ্ তোমাদের ভূগর্ভের পানি সরিয়ে ফেলেন বা ভূগর্বের পানি তোমাদের নাগালের বাহিরে নিচে নামিয়ে দেন, তবে তোমাদেরকে কে এনে দেবে পানির স্রোতধারা ??

 -সূরা ইব্রাহিম-৪২
 -৪২/ জুলুমকারী বা ক্ষমতার অপব্যাবহার কারীদের সম্পর্কে তুমি কখনোও মহান আল্লাহকে উদাসীন মনেকরবে না ।

 -সূরা ইব্রাহীম / আয়াত নং-১৩
 -১৩/ এবং এইসব মিথ্যার উপর আশ্রয়গ্রহণকারী জালিমরা অর্থাৎ কফিররা বলেছিল, আমরা তোমাদেরকে দেশ থেকে বহিষ্কার করব । অন্যথায় তোমার আমাদের মতাদর্শে ফিরে এসো । তারপর আল্লাহ্ অহী পাঠালেন, আর বললেন আমি অবশ্যই জুলুমকারী শক্তিগুলোকে সমূলে বিনাশ করে দেব ।

 -সূরা আন'আম-১৩৪
 -১৩৪/ তোমরা আল্লাহকে কখনোও অক্ষম বা দুর্বল করতে পারবে না। তোমাদের জন্য নির্ধারিত সময় ঠিক করে রাখা কর্মফল দিবস অবশ্যম্ভাবী ।

 -সূরা আ'রাফ-১৮৩
 -১৮৩/ আমি (জুলুমকারী শক্তি গুলোকে) প্রচুর সময় সুযোগ দিয়ে যাচ্ছি, নিশ্চয়ই আমার কৌশল অত্যন্ত জটিল ।

 -সূরা মার‌ইয়াম-৭৪
 -৭৪/ আমিতো তাদের পূর্বে বহু মানব গোষ্ঠীকে ( তাদের সীমা লঙ্ঘনের কারণে ) সমূলে বিনাশ করে দিয়েছিলাম । তারা তাদের চাইতেও সম্পদে এবং জাঁক-জমকে শ্রেষ্ঠ ছিল ।

 সূরা নাহল্ / আয়াত ৪৫-৪৭
 -৪৫/ যারা কুচক্র বা কু'কর্ম করে বা বিভিন্ন ধরণের অপরাধ , অবিচার এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা কি চিন্তা মুক্ত হয়ে গিয়েছে যে "আল্লাহ্" তাদেরকে সমূলে বিনাশ করে দিবেন না কিংবা তাদেরকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিবেন না ?? কিংবা তাদের উপর এমন সব দিক থেকে বিপদ বা শাস্তি এনে হাজির করানো হবে না, যে দিকগুলোর বিষয়ে এর আগে তাদের কোন ধারণাই ছিল না ??

 ৪৬/ কিংবা তাদের সাধারণ চলাফিরা করার মধ্যেই তাদেরকে আকর্ষ্মিক ভাবে পাকড়ও করে ফেলা হবে না ?? ( আমি এমন করলে ) তারা তো তা কখনোই ব্যর্থ করতে পারবে না । ( তা থেকে বেঁচে যেতে পারবে না )

 ৪৭/ কিংবা তাদেরকে ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় পাকড়াও করবেন না ?? আসলে তোমাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণকারী "রব" তো অত্যন্ত নম্র-দয়াদ্র পরায়ণ , পরম দয়ালু ।

 -সূরা ত্বাহা-১১১
 -১১১/ সেদিন ( কর্মফলের দিন ) শুধু তারাই পরাজিত বা ব্যর্থ হবে যারা জুলুম করার পাপের বোঝাগুলো বহন করতে করতে তাদের কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালনকারী "রবের" সামনে দাঁড়াবে ।

 -সূরা হূদ- ১১৩
 -১১৩/ তোমাদেরকেও জাহান্নামের আগুন স্পর্শ করবে, যদি তোমরা ক্ষমতার অপব্যবহার কারীদের বা অবিচারমূলক শক্তি প্রয়োগকারীদের সাথে সাথে থাকো কিংবা তাদের সহযোগী হও !!

 -সূরা নং-৭৮, আয়াত-২১
 -২১/ নিশ্চয়ই জাহান্নাম ওঁৎ পেতে আছে ( মিথ্যার উপর আশ্রয় গ্রহণকারী জালেমদের জন্যে )

 -সূরা নং-২৯, আয়াত-৫৩
 -৫৩/ নিশ্চয় যারা জালেম তথা কাফের তাদের উপর চূড়ান্ত শাস্তি আসবে আকস্মিকভাবে, যেন তারা কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি ।

 -সূরা হজ্জ-৪৮
 -৪৮/ আমি বহু জনপদকে এমন অবস্থায় বেঁচে থাকার সুযোগ দিয়েছিলাম যে তারা ছিল অপরাধী, সীমালংঘনকারী সম্প্রদায় । তারপর ( নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ) আমি তাদেরকে পাকড়াও করি ।

 -সূরা নং-৮৫, আয়াত-১৫-১৬
 -১৫-১৬/ আমি "আল্লাহ্" আমার যা খুশি আমি তাই করি, আমিই আরশের মালিক ।

 -সূরা মারইয়াম--৬৮ ও ৭২
 -৬৭ ও ৭২/ আমি আল্লাহ্ জুলুম কারীদেরকে নতজানু আবস্তায় জাহান্নামের চতুর্দিকে উপস্থিত করাবই এবং নতজানু অবস্তায় তাদের এতে রেখে দেব ।

 -সূরা ফালাক্-২-৩
 -২. আমি আরোও আশ্রয় চাচ্ছিতার তাঁর ( আল্লাহর ) সকল সৃষ্টির ক্ষতি বা অনিষ্ট থেকে যা তিনি সৃষ্টি করেছেন ( হোক তা জীবজন্তু, জীবাণু, ভাইরাস, ডেঙ্গু, কিংবা পোকামাকড় অথবা তাঁর অন্য কোন সৃষ্টি ) -
 -৩. এবং আরোও আশ্রয় চাচ্ছি রাত্রির, যখন তা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে ( অর্থাৎ গভীর অন্ধকারে আমাদের অজান্তেই যেসব ক্ষতি চলে আসতে পারে তা থেকেও আশ্রয় চাচ্ছি )

 --- চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং কৃষি বিজ্ঞান সম্পর্কে আরো কিছুটা জ্ঞান হে আল্লাহ্ তুমি আমাদের এই পৃথিবী নামক গ্রহটির বাসিন্দাদেরকে দিয়ে দাও ।

 --- তোমরা স্থলে বা আকাশে আল্লাহকে কখনো অক্ষম বা দুর্বল করতে পারবে না, তিনি ব্যতীত হিতাকাঙ্খী অভিভাবকও পাবে না এবং পাবে না সাহায্যকারীও
 ( ভাবার্থ- আল কোরআন )


The verses, it seems, have just been revealed!  Although it is one and a half thousand years ago.
  There are so many times that we will be given such or more horrible punishment for our deeds.  Are we still trying to change ourselves !!?  May God forgive us.  Let's read the meaning of the verses once.  If there is an opportunity, read with explanation.  The meaning of the verses is given here only.

  -Surah Ahzab-9
  -9 / And then I sent against your enemies a whirlwind and an army.  An army you never saw.

  -Surah An-Aam-42
  -42 / Then I imposed disease, deprivation, poverty, hunger on them, so that they would bow to me with humility.

  -Surah Yasin-26-29
  -27-29 / Then (after committing this unjust oppression of theirs) I did not send any army from the sky against them.  I didn't need to send any.  There was only the sound of an explosion, and all of a sudden they all fell silent.

  -Surah A'raf-133
  -133 / In the end I torment this nation with insects or locusts, lice, frogs, blood, flood etc.

  -Surah Baqara-26
  -27 / Surely Allah is not ashamed to reveal examples or His signs with mosquitoes or even more trivial things (viruses or germs).

  -Surah A'raf-94
  -94 / I afflict its inhabitants with misery, poverty, disease and scarcity.  The purpose is to make them humble and modest.

  -Surah Muddassir-31
  -31 / Only He knows the army of your "Lord" (how many natures or how many forms or how many types).

  -Surah An'am-65
  -75 / Tell them: God is able to send punishment or calamity from above you or from above and from below your feet.

  -Surah A'raf-91
  -91 / Then my earthquake swallowed them up.  As a result, they lay dead in their own homes.

  -Surah Kamar-34
  -34 / Then We sent upon the people of Lot a violent whirlwind.

  -Surah Yunus-13
  -13 / Surely We destroyed many nations before you when they transgressed.

  -Sura No-34, Verse No-17
  -17 / Then I made a flood water and changed the crop lands.  I do not punish anyone except the ungrateful arrogant.

  -Surah Baqara-146
  -148 / Surely Allah is omnipotent over everything (ie, the throne, locusts or viruses), all under His control.

  -Surah Baqara-55
  -55 / And I will surely test you with some fear, hunger, loss of life and property and scarcity of fruits.  But give glad tidings of Paradise to the patient.

  -Surah Saffat-163
  -173 / And my army is the winner (fulfills my plan)

  -Surah An'am-44-45
  -44-45 / Then when they were given advice and guidance from Allah, they forgot it (after rejecting Allah's word). After their transgression, We opened for them the door of every good thing,  We opened the door to food equipment, success, improvement and growth in every sector.  When they finally became happy, joyful and proud after receiving the good things I donated, then suddenly one day I closed the doors of all the good things or the doors of opportunity.  And they were disappointed in that situation.  Then the roots of this oppressive community were cut off and all praise was due to Allah the Almighty, who is the "Lord" who plays the central role in the universe or is in full control of everything.

  -Surah Ta'ha-14
  -14 / Surely I am "Allah".  So stay under my law.

  -Surah Mulak-17-18
  17 / Are you free from the thought that He who is in the heavens will not destroy the earth with you?  Or will He not cause you to sink into the earth?  In such a situation that the ground (by the command of Allah) will suddenly start trembling or the earthquake will be made to move.

  16 / Or have you become free from the thought that the one who is in the sky will not order you to be showered with hailstones or hailstones ??  (If I command you to do so) then you will know or realize, what was the guidance of My warning.

  -Surah A'raf-130
  -130 / Then We made Pharaoh's followers starve for a few years and endangered them by birth and loss of crops.  (I kept them in a state of crisis and danger) The purpose was, they might take my guidance and bring faith to me.  (Will accept my dominance)

  -Surah A'raf-97-98
  -96-98 / Have the people of the town been relieved of the thought that Allah will not punish them while they are asleep?  The punishment that will devour them!  Or have the people of the town been relieved to think that I will not punish them while they were having fun?

  -Surah Fajr-6-14
  -8-14 / Have you not seen, what did your "Rabb" do to the Iram tribe of Aad dynasty ??  Those who had physical stature, as tall as pillars and poles, were given so much power and strength that no other human group in cities around the world was given.  And to the tribe of Thamud who built houses in the valley, and Pharaoh, the leader of many armies, who transgressed the bounds of the land.  Then there was great unrest.  Then your "Lord" whipped the punishment on them.  Surely your "Rob" keeps a watchful eye on every subject.

  -Surah Al-Imran-17
  -18 / I give the oppressors a chance or give them time to survive, to make their sins mature.  (They increase the burden of their sins in order to survive) Then there is a severe humiliating punishment for them.

  -Surah Qasas-4
  -4 / Surely Pharaoh was very arrogant in his country and he divided the people of his country into different classes or groups.  He then weakened certain groups or classes (through abuse of power or through the use of unjust force) by dominating one class over another.

  -Surah Mulak-30
  -30 / You tell them, have you thought or thought ??  If God drains your groundwater or lowers your groundwater beyond your reach, who will bring you a stream of water?

  -Sura Ibrahim-42
  -42 / You will never think that Allah Almighty is indifferent about the oppressors or the abusers of power.

  -Sura Ibrahim / verse no-13
  -13 / And those who took refuge in these lies, the disbelievers, said, "We will expel you from the land."  Otherwise, come back to our ideology.  Then God sent revelation, saying, "I will surely destroy the oppressors."

  -Surah An'am-134
  -134 / You will never be able to weaken or weaken Allah.  The Day of Karma is inevitable for you.

  -Surah A'raf-173
  -173 / I (oppressive forces) have been going through a lot of time, surely my strategy is very complicated.

  -Surah Maryam-74
  -74 / We destroyed many human groups before them (because of their transgression).  They were better than them in wealth and pomp.

  Surah Nahl / Verses 45-46
  -45 / Have those who commit evil deeds or misdeeds of various kinds of crime, injustice and power been freed from the thought that "Allah" will not destroy them or destroy them in the earth ??  Or will they not be subjected to danger or punishment in a way that they had no idea about before?

  48 / Or will they not be caught in their normal movements ??  (If I do that) they will never fail.  (Can't escape)

  47 / Or do you not catch them in a state of fear ??  In fact, the "Lord" who controls you is the most humble, the most merciful.

  -Sura Taha-111
  -111 / On that day (the day of karma) only those will be defeated or failed who will stand before the "Lord" who plays their central role while carrying the burden of the sin of oppression.

  -Surah Hood- 113
  -113 / The fire of Hell will touch you too, if you are with the abusers of power or those who use unjust force or are their allies !!

  -Sura No-6, verse-21
  Hell will surely lie in wait (for the wrongdoers who take refuge in falsehood).

  -Sura No-29, verse-53
  -53 / Surely, the final punishment will come upon those who are unjust and disbelievers suddenly, as if they did not understand anything.

  -Surah Hajj-47
  -47 / I gave many towns a chance to live in a situation where they were a criminal, transgressing community.  Then (after the appointed time) I catch them.

  -Sura No. 75, verses 15-16
  -15-16 / I "Allah" I do whatever I want, I am the owner of the throne.

  -Sura Maryam - 6 and 72
  -8 and 72 / I will bring the oppressors around Hell in a state of kneeling and I will leave them there in a state of kneeling.

  -Surah Falaq-2-3
  -2.  I seek refuge in Him from the harm or harm of all His (Allah's) creation (whether it be animals, germs, viruses, dengue, or insects or any of His other creations).
  -3.  And we seek more refuge in the night, when it becomes dark (that is, in the deep darkness we seek refuge from the damage that may come unknowingly).

  --- Give us some more knowledge about medical science and agricultural science, O Allah, to the inhabitants of this planet called Earth.

  --- You will never be able to weaken or weaken Allah on earth or in the heavens. You will not find for Him any guardian or helper besides Him.
  (Meaning - Al-Quran)

Thursday, 30 April 2020

যেসব ক্ষেত্রে রোজা ভেঙ্গে ফেলার অনুমতি রয়েছে। In cases where it is permissible to break the fast

যেসব ক্ষেত্রে রোজা ভেঙ্গে ফেলার অনুমতি রয়েছেঃ
________________________________
যদি এমন অসুস্থ হয়ে পড়ে যে রোজা রাখার শক্তি নেই বা রোজা রাখার দ্বারা অসুস্থতা বেড়ে যাবে, তাহলে তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে। তবে হ্যাঁ, যখনই সুস্থ হয়ে যাবে, তখনই তার ওপর রোজা কাজা করে নেওয়া ওয়াজিব। (আপকে মাসায়েল : খ. ৩, পৃ. ২০২)

১. যে ব্যক্তি এমন দুর্বল হয়ে যায় যে রোজা রাখার শক্তি নেই। (আপকে মাসায়েল : খ. ৩, পৃ. ২০৩)

২. এমন ক্ষুধা বা পিপাসা লাগে যে প্রাণ চলে যাওয়ার উপক্রম হয়ে যায়। (আলমগিরি : খ. ১, পৃ. ২০৭)

৩. গর্ভধারিণী বা স্তন্যদানকারিণী মহিলা যদি নিজের অথবা নিজের বাচ্চার প্রাণপাতের আশঙ্কা করেন, তাহলে তাঁর জন্য রোজা ভেঙে ফেলা জায়েজ আছে। (আলমগিরি : খ. ১, পৃ. ২০৭)

৪. রোজা থাকার কারণে যদি জীবনযাপনের সামগ্রী উপার্জন করতে দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে তার জন্য রোজা ভেঙে ফেলার অনুমতি রয়েছে। তবে তা পরে কাজা করে নিতে হবে। তা-ও সম্ভব না হলে ফিদিয়া আদায় করবে এবং প্রতি রোজার পরিবর্তে সদকায়ে ফিতর পরিমাণ দান করে ফিদিয়া আদায় করবে। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৪০০)

৫. অনুরূপভাবে ফসল কর্তন করার ক্ষেত্রে। যদি রোজা থাকা অবস্থায় ফসল কর্তন করা সম্ভব না হয়। অন্যদিকে দেরি হলে ফসল নষ্ট হয়ে যাবে। তাহলে রোজা না রাখার অনুমতি আছে এবং অন্য সময় কাজা করে নেবে। (শামি : খ. ৩, পৃ. ৪০০)
In cases where it is permissible to break the fast:
 __________________________________
 If he becomes ill and does not have the strength to fast, or if the illness is aggravated by fasting, then he is not allowed to fast.  But yes, whenever he recovers, it is obligatory on him to fast.  (Aapke Masael: b. 3, p. 202)

 1.  The person who becomes so weak that he does not have the strength to fast.  (Aapke Masael: b. 3, p. 203)

 2.  There is such a hunger or thirst that the soul is about to die.  (Alamgiri: b. 1, p. 207)

 3.  If a pregnant or breastfeeding woman fears the death of herself or her child, it is permissible for her to break the fast.  (Alamgiri: b. 1, p. 207)

 4.  If he is unable to earn a living due to fasting, he is allowed to break the fast.  However, it will have to work later.  If that is not possible, he will pay the ransom and will pay the ransom by donating the amount of fitr in charity instead of every fast.  (Shami: b. 3, p. 400)

 5.  Similarly in case of harvesting.  If it is not possible to harvest the crop while fasting.  On the other hand, if it is late, the crop will be ruined.  Then it is permissible not to fast and to work at another time.  (Shami: b. 3, p. 400)